সিনেমা পর্যালোচনাঃ "দ্য এক্সরসিস্ট "
শ্রেষ্ঠ ভৌতিক চলচ্চিত্র লিখে ইন্টারনেটে সার্চ করলে "দ্য এক্সরসিস্ট " এর নাম প্রথম সারিতেই পাওয়া যায়। এমনকি অনেকে এই সিনেমাটিকে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ভৌতিক সিনেমা বলে বিবেচনা করে থাকে। ১৯৭৩ সালে মুক্তি প্রাপ্ত এই হরর ক্লাসিককে স্রেফ সাধারণ মানের ভৌতিক সিনেমা বললে বড় ধরনের ভুল হবে এটি ছিল ঐ সময়কার সবচেয়ে ভয়ের সিনেমা। ‘দ্য এক্সরসিস্ট’ প্রথম হরর সিনেমা, যেটি সেরা চলচ্চিত্র বিভাগে অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড মনোনয়ন পায়।
এমন কিছু চলচ্চিত্র আছে সেটা হোক হরর কিংবা অন্য কোন জনরার যেগুলোর অন দ্যা স্ক্রিন এর প্রাপ্তি গুলো সুখকর হলেও বিহাইন্ড দ্যা স্ক্রিন এর প্রাপ্তিগুলো মোটেও সুখকর নয়। বিভিন্ন কারনে যেমনঃ প্রাকৃতিক রোষানল অথবা দৈব দুর্বিপাকে পড়ে অনেক সময় সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিদেরকে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সে কারণেই সিনেমাগুলোকে বলা হয়ে থাকে অভিশপ্ত সিনেমা। 'দ্য এক্সরসিস্ট'ও এই ধরনেরই এক অভিশপ্ত সিনেমা। এর বিহাইন্ড দ্যা স্ক্রিন দুর্ভোগের জন্য অনেকে এর কাহিনীতে বর্ণিত অশুভ শক্তিকে দায়ী করে থাকেন কারন এই চলচ্চিত্রটি সত্য কাহিনী অবলম্বনে নির্মিত।এই সিনেমায় যে অশুভ শক্তির কথা বলা হয়েছে তার নাম পাজাজু। প্রাচীন মেসোপটেমীয় ধর্মে পাজুজু ছিলেন বাতাসের অসুরদের রাজা, হাম্বাবার ভাই এবং দেবতা হানবির পুত্র।মেসপটোমীয় পুরাণ মতে তিনি দক্ষিণ -পশ্চিমাঞ্চলের বাতাস, ঝড় ও খরা বহনকারী হিসাবে প্রতিনিধিত্ব করতেন।
উইলিয়াম ফ্রেডকিনের পরিচালনায় ১৯৭৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর আমেরিকায় প্রথম মুক্তি পায় এই হরর সিনেমাটি। মুক্তি পাওয়ার পর প্রদর্শনের জন্য প্রথমে মাত্র ২৬টি থিয়েটারে এই মুভিটি বুক করা হয়। এরপর চলচ্চিত্রটি তার গন্ডি পেরিয়ে অনেকদূর অগ্রসর হয় এবং সাফল্য লাভ করে। এই সিনেমাটি নির্মাণ করতে পরিচালকের আড়াই বছর সময় লেগেছিলো।
৭০-৮০ দশকে এই চলচ্চিত্রটি তখনকার সময়ের সবচেয়ে ভয়ানক চলচ্চিত্র ছিলো। উইলিয়াম পিটার ব্লেটির বই অবলম্বনে (যেটি ছিল আবার বাস্তব সত্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে) এই সিনেমার কাজ শুরু হয়। তবে এই সিনেমার কাজ শুরুর প্রতিটি পদে এই সিনেমা সংশ্লিষ্ট অনেককে শিকার হতে হয়েছে অনেক রহস্যময় ঘটনার যার কোন ভালো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়না।
![]() |
| "দ্য এক্সরসিস্ট" এ দেখানো প্রধান শয়তান পাজাজুর ভাস্কর্য |
এই সিনেমার শুটিং শুরু হওয়ার ২ সপ্তাহের ভিতর ঘটে প্রথম অঘটন। শুটিং শুরুর ২ সপ্তাহের মাথায় শুটিং সেটে আগুন লেগে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি সাধন হয়। ২ জন ক্রু আহত হয় গুরুতরভাবে।
তবে সিনেমার প্রধান চরিত্র কিশোরী লিন্ডা ব্লেয়ার (রেগান ম্যাকলিন) অবিশ্বাস্যভাবে বেঁচে যান, যেখানে তার বাঁচার কোন সম্ভাবনাই ছিলো না। এমনকি তার গায়ে একটি সামান্য ক্ষতও তৈরি হয়নি। এই ঘটনার পর নতুনভাবে সবকিছু শুরু হয়। কিন্তু এই সিনেমার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রায় সবাই সর্বক্ষণ অনুভব করত, তাদের পাশে অদৃশ্য কেউ একজন বিরাজ করছে। যেন কোন অদৃশ্য অশুভ শক্তি তাদের দিকে সর্বক্ষন নজর রাখছে।
শুটিং সেটে আগুন লাগার ১ মাস পরে 'দ্য এক্সরসিস্ট' সিনেমার বাচ্চা মেয়ে রেগানের মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করা এলেন বাস্ট্রিনের গাড়ি এক্সিডেন্ট হয় এবং তিনি গুরুতর ভাবে আহত হন। এর ফলে শুটিং আরো ৩ মাস পিছিয়ে যায়। সিনেমায় কাজ করার সময় মেকাপম্যান হিসেবে কাজ করা ব্যক্তিদের ১ জন মানসিকভাবে আসুস্থ হয়ে পড়েন। এমনকি পরিচালক নিজে স্বীকার করেন, তার নিজ বাড়িতে অবস্থান করার সময় তিনি প্রায়ই তার বাড়িতে কারোর হেঁটে যাওয়ার শব্দ পেতেন।
'দ্য এক্সরসিস্ট' সিনেমাতে পার্শ্ব চরিত্রে অনেকেই ছিলেন, যারা ক্ষুদ্র চরিত্রের জন্য অভিনয় করেছিলেন। এদের ভিতর মেরি বয়লান এবং ডিক ক্যালিনান নামের দুইজন হঠাৎ করেই নিরুদ্দেশ হয়ে যান। ২ সপ্তাহ পরে ডিক ক্যালিনানের নামের ব্যক্তির খোঁজ মেলে একটি পরিত্যক্ত সরাইখানায় মৃত অবস্থায়। কিন্তু মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। আরেকজন মেরি বয়লান আত্মহত্যা করেন রহস্যজনকভাবে।
![]() |
| "দ্য এক্সরসিস্ট "এর একটি দৃশ্য,সত্তরের দশকে এই ধরনের দৃশ্যই যথেষ্ট ভয়ের উদ্রেক করতো |
এই সিনেমার নির্মানের কাজ যখন প্রায় শেষ পর্যায়ে তখন আরেকটি দূর্ঘটনা ঘটে, যাকে অস্বাভাবিক ঘটনা বললে ভুল হবেনা। এই সিনেমায় রেগানের আত্মার শব্দ যিনি দিয়েছিলেন মার্সিডিজ ম্যাকক্যামব্রিজ সেই মহিলার ছেলে তার নিজের স্ত্রী এবং ছোট বাচ্চাকে নৃসংশ ভাবে হত্যা করে। কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানা যায় তারা ব্যক্তিগত জীবনে সুখী ছিলেন। এই ঘটনার পরেই খুনি স্বামী নিজেও আত্মহত্যা করেন। তার সুইসাইড নোটে লেখা ছিলো, “আমি এবং আমার স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর জন্য কোন অদৃশ্য শক্তি দায়ী।”
এভাবে শত প্রতিকুলতার মধ্যে দিয়ে দ্য এক্সরসিস্ট সিনেমার শুটিং শেষ হয়। সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পরিচালক বলেছিলেন, “আমি এই সিনেমা নির্মাণ করে অনেক বড় ভুল করেছিলাম, যার মাশুল আমাকে গুণতে হয়েছে।”
স্পয়লার এলার্টঃ সিনেমার শুরুতে দেখা যায় ইরাকের এক প্রাচীন শহরে প্রত্নতত্ত্ববীদদের নেতৃত্বে স্থানীয় শ্রমিকরা মাটি খোঁড়ার কাজ করছে। পাদ্রী ফাদার ল্যাঙ্গাস্টার মেরিন এই কর্মযজ্ঞের প্রধান দায়িত্বে আছেন। পর্দায় তাকে বেশ অস্থির এবং চিন্তিত দেখাচ্ছে।কোন একটা কারনে ফাদার মেরিনের মন ভার হয়ে আছে। কেন যেন এই খননের জায়গাটিকে তার অশুভ মনে হচ্ছে। সকাল থেকে কিছু খারাপ পূর্বাভাস দেখে তাকে চোখ-কান খোলা রাখতেই হচ্ছে। বিচলিত যাজকের কাছে আচমকা ছুটে আসে এক শ্রমিক। নতুন কিছু খুঁজে পাওয়া গেছে, এমনটিই জানালো সে। আবিষ্কৃত নিদর্শনের কাছে ফাদার মেরিনকে নিয়ে যাওয়া হলো। হৃদস্পন্দন বেড়ে যায় ফাদারের, টপ টপ করে ঘাম বেয়ে পড়ে তার কপাল থেকে। এ যে এক প্রাচীন অপদেবতা পাজুজুর মূর্তি! মূর্তির সামনে চিন্তামগ্ন ফাদার ভাবেন, “এতদিন ধরে যে অশুভ লক্ষণ টের পাচ্ছিলাম, তার নেপথ্যে কি এই মূর্তি দায়ী?”
ইরাকের এই দৃশ্যের পর সরাসরি দেখা যায় আমেরিকার রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি। ওয়াশিংটনের এক অভিজাত এলাকা জর্জটাউন, সেখানে বাস করেন ক্রিস ম্যাকনেইল আর তার ১২ বছর বয়সী মেয়ে রেগান। ক্রিস পেশায় একজন অভিনেত্রী,অভিনয় করে সে ভালোই জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছে। মা-মেয়ে একটি প্রকাণ্ড বাড়িতে থাকে, সাথে নায়িকার ব্যক্তিগত সহকারী শ্যারন আর দুজন গৃহকর্মী। স্বামীর সাথে ক্রিসের বিচ্ছেদ হয়ে গেলেও মা-মেয়ের দিন খারাপ যাচ্ছিল না। দিনের শুরুতেই ক্রিস বেরিয়ে পড়েন শ্যুটিংয়ের জন্য। ক্রিস যখন শুটিংয়ে থাকে তখন শ্যারনই রেগানের দেখাশুনা করে।
আরেকজন যুবককে সিনেমায় দেখা যায় তার নাম ডেমিয়েন কারাস। পেশায় তিনি একজন পাদ্রি। পর্দায় ফাদার ক্যারাসকে একজন বিমর্ষ-চিন্তাগ্রস্ত মানুষ হিসাবে দেখা যায়। ফাদার ক্যারাস এই চলচ্চিত্রের এক অন্যতম প্রধান চরিত্র।ফাদার ক্যরাস শুধু একজন যাজকই নন,তিনি জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবিজ্ঞান বিষয়ে বক্তৃতাও দেন। মনোবিজ্ঞান নিয়ে লেখাপড়া করা ফাদার ক্যারাস জাদুবিদ্যা সম্পর্কেও অগাধ জ্ঞান রাখেন।তবুও ফাদার ক্যারাসের ভিতর ঈশ্বর সমন্ধে কেমন একটা সংশয় কাজ করে,ফাদার ক্যারাস তার মাকে নিয়েও চিন্তিত।তার মা অসুস্থ এবং একলা বাসায় থাকে,ফাদার ক্যারাস আর্থিক সমস্যার কারনে তার মাকে ভালো কোন হাসপাতালে ভর্তি করাতে পারেনা।একসময় দেখা যায় চিকিৎসায় অবহেলার কারনে এক মানসিক হাসপাতালে বসে তার মায়ের মৃত্যু হয়।
একদিন ঘর গুছানোর সময় ক্রিস রেগানের খেলার ঘরে একটি ওইজা বোর্ড দেখতে পায়।রেগানকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে রেগান তার মাকে ক্যাপ্টেন হাউডি নামে এক রহস্যময় অদৃশ্য চরিত্রের কথা বলে,যার সাথে রেগান এই ওইজা বোর্ড চালায়। তার মা ক্যাপ্টেন হাউডিকে রেগানের শিশু মনের কল্পনা হিসাবে ধরে নেয় এবং এই এই বিষয়টিকে তেমন কোন পাত্তা দেয়না।
এর কিছুদিন পর দেখা যায় রেগানের শারিরীক এবং মানসিক পরিবর্তন।তার অদ্ভুত আচরণ গুলো তার মাকে প্রায়ই বিব্রত করে।একদিন রঙ-তুলি নিয়ে রেগান ছবি আঁকছিল। ছবিগুলো ক্রিসের চোখে পড়ে যায়। বিচিত্র কিছু পশু পাখির ছবি এঁকেছে ক্রিস, যেগুলো দেখলেই কেমন শিরশিরে অনুভূতি হয়। তাছাড়া কয়েকদিন যাবত রেগান অভিযোগ করছিল রাতের বেলা ঘুমের সময় তার বিছানা নাকি নড়াচড়া করে। ওইজা বোর্ড, অদ্ভূত ছবি আর রাতে খাট নড়ার ঘটনা- সব মিলিয়ে মেয়েকে নিয়ে চিন্তার সাগরে ডুবে যান ক্রিস। ডাক্তারের কাছে গিয়ে রেগানকে পরিক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর ডাক্তারের ভুরু কুঁচকে যায়, কোনোভাবেই তারা রেগানের সমস্যা ধরতে পারে না। রেগান কি শারীরিক কোনো সমস্যার শিকার? নাকি নিতান্তই মানসিক অবসাদের কারণে অসংলগ্ন ব্যবহার করছে? রেগানের মা অবশ্য মনে করে এগুলো সব বয়ঃসন্ধিগত পরিবর্তন।
ডাক্তারি পরীক্ষায় রেগানের অবস্থার কোনো উন্নতি না হলে দিশেহারা হয়ে পড়েন ক্রিস। রেগানের আধিভৌতিক অদ্ভুত আচরণের জন্য ভীত হয়ে পড়েন তিনি। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের মধ্যে একজন তাকে এক অদ্ভূত পরামর্শ দেন। সেই ডাক্তার রেগান কে ‘এক্সরসিজম’ বা ঝাড়ফুঁক করানোর পরামর্শ দেয়। রোমান ক্যাথলিক ধর্মমতে, অশুভ আত্না বা শয়তান যখন মানুষের শরীরে ভর করে, তখন সেই সত্তাকে বিতাড়িত করার জন্য বাইবেলের বাণী ব্যবহার করে যে আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা করা হয়, তাকেই ‘এক্সরসিজম’ বলে। ধর্মে অবিশ্বাসী ক্রিস এমন প্রস্তাব উড়িয়ে দেন। কিন্তু আচমকা রেগানের সাথে এমন কিছু ঘটতে শুরু করে যা দেখে সে আর না করতে পারেনা, নিরুপায় ক্রিস সিদ্ধান্ত নেন রেগানকে সুস্থ্ করার জন্য তিনি ‘এক্সরসিজম’ করবেন। ঘটনাচক্রে তার সাথে মুখোমুখি হন ফাদার ডেমিয়েন ক্যারাস। রেগানের
ভৌতিক কার্যক্রমে ভয়ার্ত ক্রিসের পাশে এসে দাঁড়ান ফাদার ক্যারাস।রেগানকে সুস্থ করার অঙ্গিকার করেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত ফাদার ক্যারাস কি রেগানকে সুস্থ করতে পারবে? ফাদার মেরিনের দেখা ঐ পাজুজুর মুর্তিরই বা কি হলো? ফাদার মেরিনকে কেন রেগানের এক্সরসিজমের জন্য ইরাক থেকে আমেরিকা আসতে হলো? এই সব প্রশ্নের উত্তর আছে 'দি এক্সরসিস্টে'।
সিনেমাটি দর্শকদের কাছে বিপুল সাড়া পায়।মুক্তি পাবার পর প্রথম দেখে অনেকেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন, উত্তেজনা ও ভয়ে অনেকেই হলে বমি করে দেন। একটি সিনেমাহলে ১ জন হার্ট অ্যাটাকও করেন। ১ জন মহিলার এই সিনেমা দেখার পরে অকাল গর্ভপাত হয়। এমন কথাও শোনা গেছে যে এই সিনেমা যখন হলে চলতো তখন নাকি হলের বাইরে অ্যম্বুলেন্স দাঁড়ানো থাকতো। এক কথায় বলা যেতে পারে হলিউডের ইতিহাসে এটি একটি অন্যতম অভিশপ্ত এবং ভয়ের সিনেমা।
'দ্য এক্সরসিস্ট' সিনেমাটি অভিশপ্ত হলেও ব্যবসায়িক দিক থেকে অনেক সফলতা অর্জন করে। ৪৪১ মিলিয়ন ডলার আয়ের রেকর্ড করে এই সিনেমা। একাডেমি এওয়ার্ডের জন্য ১০ টি ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন পায় এবং দুইটি ক্যাটাগরি বেস্ট সাউন্ড মিক্সিং ও বেস্ট এডাপ্টেড স্ক্রিনপ্লের জন্য পুরষ্কার পায় এই সিনেমা।
তবে বর্তমান সময়ে এই সিনেমাটি দেখলে দর্শকদের তেমন হয়তো ভয় লাগবে না।কারন বর্তমানের ভৌতিক সিনেমার মত 'দ্য এক্সরসিস্টে' তেমন তাক লাগানো,হাড় কাঁপানোর মত জাম্প স্কেয়ারিং নেই।তবে দ্য এক্সরসিস্টে এমন কিছু দৃশ্য আছে যা দেখলে একটু হলেও দর্শকদের গা ছমছম করবে। বিশেষত এর কাহিনীর গতিশীলতা উপেক্ষা করার উপায় নেই।
![]() |
| "দ্যা এক্সরসিস্ট"-হুমায়ুন আহমেদের অনূদিত বইয়ের প্রচ্ছদ |
'দ্য এক্সরসিস্টের' সাথে আমার প্রথম পরিচয় ক্লাস নাইনে বসে হুমায়ুন আহমেদের লেখার মাধ্যমে। মূল উইলিয়াম পিটার ব্লেটির গ্রন্থটি হুমায়ুন আহমেদ বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন। বেশ পরিচ্ছন্ন সুললিত অনুবাদ। পড়লে একটুও ক্লান্তি লাগবে না। এক বৈঠকে পড়ে ওঠার মত বই। সিনেমাটি সম্পুর্ন উপভোগ করার জন্য হুমায়ুন আহমেদের এই অনুবাদগ্রন্থটি একটা ভালো বিকল্প।




কোন মন্তব্য নেই